সিনিয়র ড্রাইভারের মৃত্যুতে যবিপ্রবি উপাচার্যের শোক
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সিনিয়র ড্রাইভার মো. মফিজুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।
সোমবার দিবাগত রাতে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. মফিজুর রহমান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
এক শোক বার্তায় অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মো. মফিজুর রহমান যবিপ্রবির একজন জ্যেষ্ঠ গাড়ি চালক ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। তার অসুস্থতার খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনসহ সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মফিজুর রহমানের অকাল প্রয়াণে যবিপ্রবি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আমি তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। একইসঙ্গে তাঁর পরিবার-পরিজন, দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
এদিকে মো. মফিজুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তাবৃন্দ ও কর্মচারী সমিতি। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা তাঁর প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
অপরদিকে তার আত্মহত্যার চেষ্টার পিছনে পরিবহন প্রশাসকের অসৌজন্যমূলক আচারণকে দায়ী করে রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে যবিপ্রবি কর্মচারি সমিতি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পরিবহন দপ্তরের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. জাফিরুল ইসলাম যোগদান করার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন দপ্তরের কর্মরত ড্রাইভার-হেলপারদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অসৌজন্য মূলক আচারণ করেন। তেল মাপা কমিটি কর্তৃক মাইলেজ নির্ধরণ করে দেওয়ার পরেও পরিবহন প্রশাসক বিভিন্ন সময় কর্মরত ড্রাইভার-হেলপারদের তেল চোর বলেন।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবটতলা এলাকায় নিজ বাড়িতে নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন নিহত মফিজুর রহমান। আহতাবস্থায় তাকে যশোর সদর হাসাপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে ভর্তি না করেই তাকে দ্রুত ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় তার শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিলো।







